এবার আটলান্টিক মহাসাগরে সৃষ্ট হারিকেন বেরিল ‘অতি বিপজ্জনক’ আকার নিয়েছে। শক্তিশালী এই হারিকেন দক্ষিণ-পূর্ব ক্যারিবীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশে আঘাত হানতে চলেছে। সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানা যায়, সেসব দেশে এ সংক্রান্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
মার্কিন ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টার (এনএইচসি) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার সকালের দিকে হারিকেন বেরিল ক্যারিবীয় অঞ্চলের উইন্ডওয়ার্ড দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হানতে পারে। বেরিল ‘অতি বিপজ্জনক’ ঝড়ে পরিণত হয়েছে এবং এটি ক্যাটাগরি-৪ মাত্রার হারিকেনে পরিণত হয়েছে।
হারিকেনটি আঘাত হানার সময় বাতাসের গতিবেগ হতে পারে ১৫৫ মাইল বা ২৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত। এনএইচসি তাদের পরামর্শে বলেছে, ২০২৪ মৌসুমের প্রথম এই হারিকেনটি রোববার রাতে বার্বাডোসের প্রায় ১৫০ মাইল দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছিল। এ সময় হারিকেনের অবস্থানস্থলে বাতাসের গতিবেগ ছিল সর্বোচ্চ ১৩০ মাইল।
এদিকে বেরিলের জেরে বার্বাডোস, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট এবং গ্রেনাডাইনস, গ্রেনাডা এবং টোবাগো হারিকেন সতর্কতার আওতায় রয়েছে। মার্টিনিক, ডোমিনিকা এবং ত্রিনিদাদের জন্যও কার্যকর রয়েছে এই ঝড়ের সতর্কতা। এসব অঞ্চলের বাসিন্দাদের দ্রুত সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে নিয়োজিত সদস্যদের নির্দেশনা মনে চলতে বলা হয়েছে।
ক্যারিবীয় অঞ্চলজুড়ে বহু মানুষ বাড়িঘরের সুরক্ষার জন্য কাঠের বোর্ড দিয়ে দরজা বা জানালা ঢেকে দিচ্ছেন। অনেকে ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানির জন্য লাইনে দাঁড়িয়েছেন। আবার অনেকে ঝড়ের প্রস্তুতি হিসেবে বিশুদ্ধ পানি ও খাবারসহ অন্যান্য পণ্য সংগ্রহ করছেন।
চলতি আটলান্টিক মৌসুমের প্রথম হারিকেন বেরিল। গত শনিবার ভোরে আটলান্টিক মহাসাগরে এটির সৃষ্টি হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে শক্তি সঞ্চার করে ক্যাটাগরি-৪ মাত্রার হারিকেনে রূপ নিয়েছে বেরিল। মৌসুমের শুরুতে এ ধরনের শক্তিশালী ঝড় তৈরি হওয়া ব্যতিক্রম বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
মার্কিন ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টার (এনএইচসি) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার সকালের দিকে হারিকেন বেরিল ক্যারিবীয় অঞ্চলের উইন্ডওয়ার্ড দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হানতে পারে। বেরিল ‘অতি বিপজ্জনক’ ঝড়ে পরিণত হয়েছে এবং এটি ক্যাটাগরি-৪ মাত্রার হারিকেনে পরিণত হয়েছে।
হারিকেনটি আঘাত হানার সময় বাতাসের গতিবেগ হতে পারে ১৫৫ মাইল বা ২৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত। এনএইচসি তাদের পরামর্শে বলেছে, ২০২৪ মৌসুমের প্রথম এই হারিকেনটি রোববার রাতে বার্বাডোসের প্রায় ১৫০ মাইল দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছিল। এ সময় হারিকেনের অবস্থানস্থলে বাতাসের গতিবেগ ছিল সর্বোচ্চ ১৩০ মাইল।
এদিকে বেরিলের জেরে বার্বাডোস, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট এবং গ্রেনাডাইনস, গ্রেনাডা এবং টোবাগো হারিকেন সতর্কতার আওতায় রয়েছে। মার্টিনিক, ডোমিনিকা এবং ত্রিনিদাদের জন্যও কার্যকর রয়েছে এই ঝড়ের সতর্কতা। এসব অঞ্চলের বাসিন্দাদের দ্রুত সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে নিয়োজিত সদস্যদের নির্দেশনা মনে চলতে বলা হয়েছে।
ক্যারিবীয় অঞ্চলজুড়ে বহু মানুষ বাড়িঘরের সুরক্ষার জন্য কাঠের বোর্ড দিয়ে দরজা বা জানালা ঢেকে দিচ্ছেন। অনেকে ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানির জন্য লাইনে দাঁড়িয়েছেন। আবার অনেকে ঝড়ের প্রস্তুতি হিসেবে বিশুদ্ধ পানি ও খাবারসহ অন্যান্য পণ্য সংগ্রহ করছেন।
চলতি আটলান্টিক মৌসুমের প্রথম হারিকেন বেরিল। গত শনিবার ভোরে আটলান্টিক মহাসাগরে এটির সৃষ্টি হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে শক্তি সঞ্চার করে ক্যাটাগরি-৪ মাত্রার হারিকেনে রূপ নিয়েছে বেরিল। মৌসুমের শুরুতে এ ধরনের শক্তিশালী ঝড় তৈরি হওয়া ব্যতিক্রম বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।